নির্বাচিত

শুভেচ্ছা ঘোষণা

 শুভেচ্ছা ঘোষণা শুভেচ্ছা বন্ধু-গন। আশা করি সব্বাই ভাল ও সুস্থ রয়েছেন। বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা আরও একবার। এবার কাজের কথায় আসি। সব্বাই খুব আগ্রহের মাঝে রয়েছেন একটি বিষয়ে—এবার আমাদের ভাগ্যবান মহোদয়-গন কে কে? খুব আনন্দের সাথে আমরা ঘোষণা করছি যে এবার আমাদের বিজয়ী— ১। জহির রহমান ২। অনিক আহমেদ সুমন দুজনকে তাদের মেইল ঠিকানা প্রোফাইলে আপডেট

স্মৃতির পাতা থেকেঃ নাম ভুলে যাওয়া কোন এক বন্ধুর গল্প

 গল্প-কবিতা লেখার হাত নেই আমার। জীবনে চলার পথে কুড়োনো স্মৃতিই তাই ভাবছি সবার সাথে শেয়ার করে যাই। জীবনের প্রতিটি ঘটনা থেকেই শেখার থাকে কিছু না কিছু। সবাই শেখে; আমিও শিখি। কেউ কেউ তাদের অর্জিত শিক্ষাটুকু ছড়িয়ে দিতে ভালোবাসে। আমি তাদের একজন। ইংরেজি ২০০০ সাল। আমি তখন খুলনার খালিশপুরের পিপলস জুট মিলস হাই স্কুলের ক্লাস নাইনের

স্বাধীনতা

  স্বার্থক হলাম আমি জন্মেছি এই দেশে লড়বো আমি শত্রুর সাথে অস্ত্র নিয়ে অসি বেশে, হানাদাররা যতই হোক যত শক্তিশালী পরাজয়ের গ্লানিতে রুদ্ধ করবো ওদের শ্বাসনালী। আজকে ওরা মারছে মোদের মারছে নারী-সব, কালকে ওদের বিনাশ করে করবো কলরব। যুদ্ধে আমি থাকবো হয়ে দেশের একজন সৈনিক দেশ স্বাধীন না হলে চলবে সংগ্রাম দৈনিক। বিনাশ মোরা করবই

দেবী, আমাকে স্পর্শ করো

 দেবী, আমাকে স্পর্শ করো, পবিত্র হতে দাও। আমার শিরায় শিরায় জমাট বেঁধেছে বিষ, উপশিরায় বইছে কালো রক্ত; আমাকে স্পর্শ করো দেবী। আ…আমি মরে যাচ্ছি, শীতলস্পর্শের মাধ্যমে আমার হৃদপিন্ডে করো প্রাণসঞ্চার, আমাকে স্পর্শ করো!   তোমার চুলের ডগায় আমাকে বেঁধে রাখো দেবী, আমি তোমার চুলের ঘ্রাণমাখা অক্সিজেনে বুক ভরে নিশ্বাস নিতে চাই; আমাকে নিশ্বাস নিতে দাও।

মৃত রাজনীতি

 একটা গল্প দিয়েই শুরু করি। গোপনীয়তার স্বার্থে নাম পরিবর্তন করে আমার দেয়া ছদ্ম নাম টা ব্যবহার করছি। স্বপ্ন ছেলেটা ছোট থেকেই স্বপ্ন নিয়ে বড় হয়। স্কুল, কলেজ, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। তাও তার ইচ্ছা ছিল না বর্তমান শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার। তার পরো পেটের টান হতেই হবে। স্বপ্নের স্বপ্ন ছিল আলাদা, সবাই ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার বা বিশ্ববিদ্যালয়

খোকার সাধ | কাজী নজরুল ইসলাম [প্রিয় কবিতা-৩]

  আমি হব সকাল বেলার পাখি সবার আগে কুসুম-বাগে উঠব আমি ডাকি। সূয্যিমামা জাগার আগে উঠব আমি জেগে, ‘হয়নি সকাল, ঘুমো এখন’- মা বলবেন রেগে। বলব আমি, ‘আলসে মেয়ে ঘুমিয়ে তুমি থাক, হয়নি সকাল- তাই বলে কি সকাল হবে না ক! আমরা যদি না জাগি মা কেমনে সকাল হবে? তোমার ছেলে উঠবে গো মা রাত

একটি স্বপ্নের জন্মকথা

 একটি স্বপ্নের জন্মকথা     ভূঞাপুর তখন যমুনার কোল ঘেষা একটি গ্রাম। একটু সন্ধ্যা নামলেই শেয়াল ডাকে। যমুনার পানি বাড়লেই প্লাবিত হয় তার বুক। সেইখানেই একটি কলেজ দেয়ার কথা ভাবলেন ইবব্রহিীম খাঁ। বাড়ি বাড়ি যান , হাত পাতেন মানুষের দারে দারে। কেউ চাল, কেউ ডাল , কেউবা দেয় লাউ। রাস্তায় এক ভিক্ষুকের সাথে দেখা ।

শুক্তি( গ্রামের ঔষধি ভাত)

 শুক্তি( গ্রামের ঔষধি ভাত)     গ্রামের মানুষদের মাঝে এই ব্যপারটা প্রচলিত বিশ্বাস (এবং বর্তমানে তা বিঙ্গান সিদ্ধ যে—)গাছের ঔষধি গুন, যা কি না তাদেরদের শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এবং নিজেদের রোগ সারাতে বিভিন্ন রকম লতা পাতা শিকড় বাকড়  সরাসরি বা এদের রস খেয়ে থাকে। আর এরই ধারাবাহিকতায় গ্রামের মানুষেরা  বিশ্বাস করে “শুক্তি” তাদের

অশ্রুসিক্ত বারতা

  সান্তনার কোন ভাষা আমার জানা নেই কষ্টে প্রাণ কাতর হলে আপনার মাঝেই ডুব দেই। শরীরে জমিয়ে উঠে ক্লান্তির এক সমুদ্র বরফ ফোঁটার মত গলে পড়ে অশ্রু হৃদয়ের কোকড়ানো কান্নার শব্দ ভেসে যায় নাকো দূরে কেহ জানেনাতো কিসে খাচ্ছে আমায় তিলে তিলে। তোমার দেওয়া কষ্ট গুলো বুকের পাজঁর ভেঙ্গে দিচ্ছে বারেবার তোমার দেওয়া স্মৃতি গুলো

সেই বুড়িটা মেয়ে ছিলো

 “পাশের বাড়ির ওই বুড়িটা মারা গেছে জানো?” “কোন বুড়িটা? যেই বুড়িটা ঘরের কোণে দিতো পুতুল বিয়ে? যেই বুড়িটা চাইতো চোখে আকাশ কুসুন নিয়ে? যেই বুড়িটার জগৎ ছিলো বাড়ির পাশের মেলা? যেই বুড়িটার জীবন ছিলো জীবন নামের খেলা?   কোন বুড়িটা? যেই বুড়িকে ছোট ভাই পাহারা দিতো পথে? যেই বুড়িটার বিয়ে হলো একটা বুড়োর সাথে? যেই

মা | কাজী নজরুল ইসলাম [প্রিয় কবিতা-২]

 মা যেখানেতে দেখি যাহা মা-এর মতন আহা একটি কথায় এত সুধা মেশা নাই, মায়ের মতন এত আদর সোহাগ সে তো আর কোনখানে কেহ পাইবে ভাই! হেরিলে মায়ের মুখ দূরে যায় সব দুখ, মায়ের কোলেতে শুয়ে জুড়ায় পরান, মায়ের শীতল কোলে সকল যাতনা ভোলে কত না সোহাগে মাতা বুকটি ভরান। কত করি উৎপাত আবদার দিন রাত,

হায়রে মানুষ

 পহেলা বৈশাখের বিকেল বেলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যে ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটল তার প্রতিকার কি আদৌ হবে, না- আগামী দিনে আর বড় আয়জনে একই ঘটনা ঘটবে ? উত্তরটা সহজ। আরও ঘটবে । কারন একসময় এইসকল বাইন চুদের সংখ্যা হাতে গোনা ছিল এখন তারা দল বেধে ডজনে ডজনে চলে । এমনিতে ভুজুভেলা বাজিয়ে বিরক্ত করে আর সুযোগ

পহেলা বৈশাখের শেষ কথা।

 বাংলা পহেলা বৈশাখের ইতিহাসে নতুন একটি অনুচ্ছেদ যোগ হল! রাস্তায় মহিলা/মেয়েদের বিবস্ত্র করে ভিডিও করা। জানি না তারা তাদের মা-বাবার সুপুত্র না কুপুত্র। হয় তো জ্বিন বা সয়তান জাতি হবে! কারণ, তাদের চেনার মত কারো চোখের ল্যান্স কাজ করছিল না, প্রতিবাদ করার সাহস ছিল না। গর্বিত জাতি, গর্বিত বাংলা নববর্ষের

এসো আমার মফস্বলে..

 যেদিন থেকে তোমায় আমি গিয়েছিলাম ভুলে.. সেদিন থেকে রাজ্য গড়ি আমার মফস্বলে!   যেদিন তোমার শহরে তুমি করবে হাসফাস, কালো ধোয়া, আলোর কৃত্রিমতা ; তীক্ষ্ণ আধুনিকতা .. তোমার বায়ু ঊনপঞ্চাশ!   সেদিন এসো.. সেদিন এসো আমার মফস্বল.. শ্বাস নাও প্রান ভরে,আমার অযোগ্যা সম্বল! ২০ ডিসেম্বর

পহেলা বৈশাখ

 আগামীকাল পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ। প্রত্যেক বাঙালী কাল নতুন বছরকে আপন করে নিবে যার যার ধর্ম ও নীতিকে বজায় রেখে। কিন্তু বাংলা নববর্ষের ইতিহাসের কোথাও নিজের ধর্মকে, নিজের নীতিকে, নিজের আদর্শকে, নিজের ইজ্জত/ লজ্জাকে বিলিয়ে দেয়ার কথা লিখা আছে কি না জানি না। জানি না লিখা আছে কিনা সাদা আর সিঁদুরের রঙের শাড়ী পড়ার ইতিহাস।

অনেক ভালোবাসি তোমায়

 অনেক ভালোবাসি তোমায় তবুও তোমার প্রেমে পরা হলোনা কোনদিন অঝর বৃষ্টিতে ভেজা হলো না কোনদিন তবুও ভালোবাসি তোমায় তোমার ওই রেশমী চুলে হারিয়ে যাওয়া হলো না তবুও ভালোবাসি তোমায় কোনদিন নির্ঘুম রাতে আমার চোখের জলে তোমায় দেখে ও স্পর্শ করা হলো না. তবুও ভালোবাসি তোমায় শুধু তোমায় ……. তোমাকে ভুলেও কোনদিন ভোলা হলো না কারণ

X
ঢ়
ক্ষ ড় ঢ় য় র-ফলা‌‌‌
    য-ফলা
  ি     রেফ
      ZWNJ
স্পেসবার নতুন লাইন যুক্ত করুন/হসন্ত ZWJ