ভালোলাগা- অন্যরকম এক অপ্রকাশিত ভালোবাসা

 সহজাত প্রবৃত্তির একটা থিওরি দেখে মনগড়া লেখা লিখছি।সবার জীবনের জন্য সত্য কি না জানিনা তবে কিছু জীবনের জন্য অবশ্যই সত্য। কেননা, আমি নিজেই প্রত্যক্ষদর্শী। পরিবার, সমাজ ভেদে পরিবর্তিত হয় এগুলো। আমি লিখছি উচ্চবিত্ত বা মধ্যবিত্ত পরিবারদের নগর সমাজের কিছু কৈশোরযাপনের গল্প।বহি:প্রকাশের ব্যাপারটা লিঙ্গভেদেও হয়। তবে আমাদের সমাজে বিপরীত লিঙ্গের সাথে মেশার মনমানসিকতার দিকটায় এখনো সোজা

সুখচ্ছেদ

 সেদিন হয়তো গোধুলী রঙের পর এক পশলা বৃষ্টি হয়ে যাবে, হটাৎ প্রচন্ড সাজতে ইচ্ছা হবে,হয়তো সাজবো । কর্দমাক্ত আকাশকে দেখিয়ে পরে ফেলবো আকাশি শাড়ি! হয়তো কেউ অধিকারে পড়িয়ে দেবে কালো টিপ। ঘটিতে বাটিতে হীরাতে মুক্ততে স্বামী সন্তানে চাইনিজে বিরিয়ানিতে হয়তো আছি বিরাট সুখে, এমন সময় এই এক পশলা বৃষ্টি সুখচ্ছেদ করে বলে দিতে পারে –

প্রিয় মানুষটি সুখে থাকলে নিজেও সুখে থাকা যায়

 মুক্ত করে দিলাম তরে জেতে পারিস দুরে ভালোবাসি এই কথা বলব না আর তরে সুখে যদি থাকিস আশিস না আর ফিরে না পাওয়ার সুখ খুজে নিবো কষ্টের ভিরে বন্ধুরা আপনারা যারা ফেসবুক ব্যাবহার করেন তাদের সবাই কে www.facebook.com/golporaz pages টা লাইক দেয়ার জন্য অনুরোধ

ভালোবাসি তাই, ভালোবেসে যাই

 শিরোনামঃ ভালোবাসি তাই, ভালোবেসে যাই কন্ঠঃ পলবাসা সিদ্দিক ——————————————————– ভালোবাসা….. আকাশ এখানে অসীম নীল ডানা মেলে উড়ে যায়, স্বপ্নের গাংচিল স্নিগ্ধ সকাল তার প্রতীক্ষায়, ক্লান্ত দুপুর থমকে দাঁড়ায় এই দিগন্ত, চোখের সীমানায় কেউ কি ডাকে? নিশ্চুপ গভীর মায়ায়? লালচে সন্ধায় সে… মায়াবী সুখ। এই জোছনা রাতে হাত রেখে হাতে হেঁটে চলা বহুদূর…… এই দিগন্ত, চোখের

অপেক্ষার উপাখ্যান

 যে দিন থেকে পরিচয়ের শুরুটা হয়েছিল সেদিন থেকেই জীবনটা অপেক্ষার ফ্রেমে বন্দি হয়ে গিয়েছিল… আজ অবধি সেই বন্দিত্ব থেকে বের হতে পারিনি। যদি আমায় প্রশ্ন করা হয়, অপেক্ষার সঙ্গী কে? সহজ উত্তর দিব ‘ধৈর্য ‘… ‘অপেক্ষার সাথে ধৈর্যের সম্পর্কটা অনেকটাই সমানুপাতিক…’ জীবনের প্রতিটি মুহুর্ত আজ আমার কাছে অপেক্ষা! আমি যানি না, অপেক্ষা নির্নয়ের নূ্যনতম কোন

নষ্টালজিক

 ফারজানা কেমন আছিস তুই? নিশ্চয়ই ভালো, দোয়াও করি তুই যেন সব সময় ভালো থাকিস। আজ হঠাৎ করে কেন যেন তোর কথা মনে পড়ে গেল। জানতে ইচ্ছে করলো কেমন আছিস, কি করছিস? পড়াশোনা কোথায় চলছে? আমার কথা মনে পড়ে তোর? প্রায়ই তোর কথা মনে পড়ে। যখনি অতীতের কোন ভাল স্মৃতি হেঁটে আসি তখনি তোর স্মৃতিটাও ভেসে

ইচ্ছে করে

 আর ইচ্ছে করেনা সামনের দিকে চেয়ে থাকতে, ইচ্ছে করেনা কোনো কিছুর জন্য অপেক্ষা করতে। কেন জীবনটা এরকম একটা ধূসর পান্ডুলিপি? কি জন্য লালন করে চলেছি এসব স্মৃতি বিস্মৃতি! যদি একটা গোলকধাঁধা পেতাম তবে, আর সেথায় থাকতো যদি একটা ছক যাতে লেখা থাকতো কিসের পর কী করতে হবে, এগিয়ে যেতাম একটু একটু করে, হয়তো পেরোতে গিয়ে

এবার আমাকে প্রশ্রয় দাও

 বৃষ্টির চাদর গায়ে,হালকা পায়ে, এগিয়ে এলে তুমি। তোমাকে চিনতে পারিনি, পিঠের দিকে সবাই অচেনা। অচেনা রাত,মোমের আলো মিট মিট করে নিভে যাওয়ার উদ্যমে ব্যস্ত। ঘর ছেড়ে,বাইরে চলে আসি বুকে ভরে নিঃশ্বাস নিই, মধ্য রাতের নির্জনতায়। একটা বিড়ির সুখটান, বিড়িতে টান দিতে দিতে ভাবলাম,এখন ঘরে ফেরার পালা। এই মাত্র চাঁদ উঠে ছড়িয়ে দিল জ্যোৎস্না। খোঁপায় তাঁর

নির্ভরতার এ জীবন

 নিভর্রতা…. নিভর্তা আমার কাছে এখন ব্যাধির না্যায় মনে হয়… চোখ দুটো অনেক আগেই চশমার উপর নিভর্রশীল হয়ে গিয়েছিল! আজ চশমা ছাড়া চোখে সব ঝাপসা দেখি… চোখের চশমার উপর নিভর্র করেই তোমাকে প্রথম দেখেছিলাম। সেই দেখার পর মনটা যে কখন মনের অগোচরে তুমি নিভর্র হয়ে পড়লো আঁচ করতে পারিনি… আমার চোখে চশমাটা ঠিকই আছে, শুধু ঠিক

বাস্তব জীবন

 মানুষের জীবন্টা নদীর উপর ভাসোমান খেয়ার বিপরীত। মানুষ যখন স্বন দেখে তখন সে বাস্তবতা কে ভুলে যায়। আর যখন স্বপ্নটা দুর হয়ে বাস্তবতা সামনে এসে যায় তখন আর বাস্তবতা কে মানতে নারাজ। যতই আমরা বাস্তবতা থেকে দুরে সরে যেতে চাই বাস্তবতা ততোই আকরে

বর্ষা

 __________বর্ষা_________ আদুরে মানিক ডাকছে আঁকাশ ভাসছে মেঘ, আসচ্ছে বুঝি বর্ষার রেস। রিম ঝিম ঝিম বৃষ্টি পড়ে, তৃষ্ণাকাতর ধরনীর বুকে। থৈ থৈ থৈ নাচছে নদী পাখির গানে, সুর তুলছে টিনের চালে। ফুল ফুটছে কদম গাছে, হাস্নাহেনা, জুঁই, চামেলী সাজিয়ে তুলছে প্রকৃতিকে। ভাটিয়ালি গানের শুরে, ছলাৎ ছলাৎ শব্দ করে। রঙ-বেরঙের নৌকার নিয়ে ভেসে চলে নদীর বুকে। সবাই

১৮+

 রাত ১২ টা। হাতে স্মার্টফোন নিয়ে ফেসবুকের নিউজ ফিড চেক করছিলো অর্ক।অন্ধকার পৃথিবীতে মানুষের আজগুবি চিন্তা মাথায় আসে। বাসার সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে তার ঘুমকে কে যেন আসতে দিচ্ছে না। আজ সন্ধ্যাবেলা ওর মা আর বাবা বেরিয়েছিল ঘরের জন্য কিছু বাসন কোসন কিনতে। একবার ভাবলো চিপস কিনে আনতে বলবে আসার সময় একটা। কী মনে করে যেন

শিশুদের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী উপহার দিতে এই সভ্যতার ব্যর্থতা প্রমাণিত

 পৃথিবীর মানুষ আজ বিজ্ঞান ও যান্ত্রিকতায় যতটা অগ্রগতি লাভ করেছে, বিপরীতে তার আত্মিক অধঃপতনও ততটাই ঘটেছে। যান্ত্রিক প্রযুক্তিনির্ভর এই বিকাশকে আর যাই বলা যাক ‘সভ্যতা’ বলা সমীচীন হবে না। একে যে সভ্যতা বলা যায় না তার এক প্রত্যক্ষ প্রমাণ হচ্ছে, ইউনিসেফ প্রকাশিত সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদন। এতে বলা হয়েছে, বিশ্বে সহিংসতার কারণে প্রতি পাঁচ মিনিটে একজন

পাল্টে ফেলাই বেঁচে থাকা

 ‘ফাহিম’ – আজকাল যতটা না রক্ত মাংসের মানুষ আমার কাছে তার চাইতেও বেশি গল্পের চরিত্র। দিন দিন কেমন মনে হয় আসলে এই নামের কেউ ছিলোই না সবই কল্পনা বা কল্পনার বাইরেও কিছু ভিন্ন! এই মানুষটার উপর আমার রাগ কাজ করে না, ক্ষোভ কাজ করে না কোনো ঘৃণাবোধ জন্মায়নি। কেমন অন্যরকম একটা মায়া, অচেনা একটা বোধ

ডায়েরির পাতা থেকে

 শরীরে জ্বর, ঠান্ডা, কাশি আর তীব্র মাথা ব্যাথার যন্ত্রণা নিয়ে লিখছি। ইচ্ছে করছে সব কিছু ছেড়ে দিয়ে নিজকে গুটিয়ে ফেলি এ সংসারে। সব পিছুটানকে খামচিয়ে ছিঁড়ে ফেলে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করি। ভুলে যাই সব দেয়া কথা। মুচে ফেলি মৃত্তিকায় পড়ে থাকা পদচিহ্ন। অন্যের মানসপটে আঁকা ছবিটাও যদি সরাতে পারতাম! তবে ঠিকই সরিয়ে ফেলতাম নিজকে। কিন্তু চাইলেইতো

X
ঢ়
ক্ষ ড় ঢ় য় র-ফলা‌‌‌
    য-ফলা
  ি     রেফ
      ZWNJ
স্পেসবার নতুন লাইন যুক্ত করুন/হসন্ত ZWJ