প্রেম সমাচার

 ভালো যদি নাই বা বাসিস তবে কেনো কাছে আসিস ভালোবাসার প্যাঁচ খেলাতে মিছে কেনো আমায় বাধিস? নিজের চলন করে বাঁকা অভিনয়ে তুই সে পাঁকা হর-হামেশা করিস বসে আমার পকেট ফাঁকা ভালোবাসার কচ-কচানী ভাল লাগে না আর তোরে নিয়া স্বপ্ন দেখার পরসে ঠেকা কার? বিনিময়ে ছুঁইতে গেলে ঝাড়ু-ঝাটা সবই মেলে তবু তোরে উজাড় করে দিলাম সবই

চাই

 নাহ! তোমার সো কল্ড প্রেমিকা হবার ইচ্ছা পোষন করছি না.. তোমার মুখ দেখে দিন শুরুর পরিকল্পনা করছি .. কথায় কথায় ব্রেক আপ নয়, আমি ডিভোর্স এর হুমকি দিতে চাই!   তোমার স্বপ্নদোষে হানা দেবার ইচ্ছা নেই, তোমার রোগের একমাত্র ওষুধ হয়ে আসতে চাই.. তোমার মনযোগ বিঘ্নতার কারন হতে চাই যাতে অনেক ব্যস্ততার ফাঁকেও আমায় একটু

ইচ্ছা পূরণের কেন্দ্র বিন্দু

 ইচ্ছে করে আকাশ দেখতে, কিভাবে বল তাকাই তোমার চোখের পানে আকাশ আমার, ওতেই আমি হারাই। ইচ্ছে করে বকুলের গন্ধে মাতোয়ারা হয়ে যাই কিভাবে আর পারি বল তোমার চুলের গন্ধ বকুলকেও হার মানায়। ইচ্ছে করে ময়ূরের পালকের স্পর্শীত হই, সব কিছুই বৃথা তোমার ওষ্ঠ যুগল যখন ছুয়ে যায় আমার কম্পমান ওষ্ঠে ইচ্ছে করে শুনতে পাখির কলতান,

দারুন মওকা!!

 ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর আর ২০১৫ এর ২৯ মার্চ; একটা জায়গায় দারুন মিল। জেনারেল এম.এ.জি. ওসমানী আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনী ও সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর আসে আমাদের বিজয়। অথচ সেই বিজয়ের ক্ষণে থাকতে পারেননি জেনারেল এমিএ.জি ওসমানী। ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বরঃ সব ক্রেডিট নিলেন ভারতের অরোরা সাহেব।

অন্যায়

 আমি কেন চুপ করে থাকব যখন তুমি চলেই যাবে হৃদয় মন্দির ভেঙ্গে আমাকে রিক্ত করে তবে কেন চুপ করে থাকব আমি কেন নিরব রইব যখন তুমি আমাদের সাজানো ভুবনকে নিয়ে যাবে ১৯৩৬ এ দুঃখের স্রোত বইয়ে দিয়ে মেতে উঠবে ধ্বংস লীলায় আমি কেন শত দুঃখ সইব যখন তুমি আঘাতের পর আঘাত দিয়ে উল্লাসে ফেটে পড়বে

বনলতা সেন: কে এই রহস্যময় মানবী?

 বাংলা সাহিত্যে আলোচিত সাহিত্যকর্মের মধ্যে জীবনানন্দ দাশের ‘বনলতা সেন’ কবিতাটি বিশেষভাবে পরিচিত। বহু সাহিত্য প্রেমির হৃদয় ছোঁয়া এই কবিতাটি জীবনানন্দ দাশের সাহিত্যকর্মকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে। কিন্তু জীবনানন্দ দাশ এই কবিতায় যে রহস্য তৈরি করেছেন সেই রহস্য এখনো ধোয়াশা। কেননা প্রতিটি কবিই তার প্রতিটি সৃষ্টিকে কাউকে না কাউকে উদ্দেশ্য করে লিখেন। এই কবিতায় কবি কোন

ধিক এই আন্দোলন।

 দেশী বাসমতি চালের দাম কমেছে, আগে ৬২ টাকা করে কিনতাম, এ সপ্তাহে যখন দোকানীকে ছয় কেজির দাম গুনে গুনে ৩৭২ টাকা দিলাম, দোকানী আমাকে ১২ টাকা ফেরত দিলো, একটু অবাক হলাম। বিষয়টা কি জানতে চাইলে দোকানী বলল, এতদিন ২ টাকা করে বেশী নিচ্ছিলো হরতাল আর অবরোধের জন্য, এখন পরিস্হিতি তো সেইরম না। পেট্রলবোমা আতঙ্ক কম। আমি

Rain

 অফিস থেকে বের হয়েছি বাসায় যাচ্ছিলাম হঠাৎ ফোনের রিংটনের শব্দ আমার স্ত্রীর ফোন , বলল বসার শ্রমিক রোবট টা ঠিকঠাক কাজ করতেছে না। শুনে প্রচন্ড রাগ লাগল।রোবট টা মেরামত করব কিভাবে তাই ভাবছিলাম এর পাসওয়াড টা কবেই হারিয়ে ফেলেছি।হঠাত বন্ধু জিম এর সাথে দেখা ।জিম খুব ভাল প্রোগ্রামার বেশ কিছু যুগান্তকারি কাজ করেছে! ওনেক দিন

আমার জানলা, আমার পৃথিবী

  ‘আমার জানলা দিয়ে একটুখানি আকাশ দেখা যায়; একটু বর্ষা, একটু গ্রীষ্ম, একটুখানি শীত; সেই একটুখানি চৌকো ছবি আঁকড়ে ধরে রাখি, আমার জানলা দিয়ে আমার পৃথিবী।’ —–: অঞ্জন

পাখি পালার শখ

 অপূর্ব এবার চতুর্থ শ্রেণীতে পরে। মাথার মধ্যে সারাক্ষণ তার পশু পাখি ঘুরে বেড়ায়। বিশেষ করে পাখি তার ভীষণ প্রিয়। বাংলাদেশের অনেক পাখির নাম সে গড় গড় করে বলে দিতে পারে। যেমন দোয়েল, টিয়া, ময়না, শালিক, বাবুই, টুনটুনি, চড়ূই, ঘুঘু, বক, ডাহুক, কোকিল, কাক, প্যাঁচা, ধনেশ, চিল, মাছরাঙা, শ্যামা, বউ কথা কও, শকুন, আবাবিল, বুলবুলি, ফিঙে,

মুক্তিযোদ্ধার চিকিৎসা

 ডাক্তার! আশরাফুল মকলুকাত এমবিবিএস! আমি বেকুফ, বহুবার এই সর্বজ্ঞানী অতিমানবের দ্বারস্থ হয়ে দেখেছি—তারা যেহেতু অন্তর্যামী; সামনে দাঁড়ানো মাত্রই চৌদ্দপুরুষের ঠিকুজি পড়ে ফেলেন আর একবার ঘৃণিত দৃষ্টে অতিমানবীয় সৌজন্যে উচ্চারণ করেন, ‘সমস্যা কী?’ তারপর আরাধ্য প্যাডে সুদির্ঘকাল অনুশীলিত দুর্বোধ্য প্রতীকে অতিতুষ্টকর ল্যাবরেটরির ওষুধ আর সম্ভাব্য সর্বোচ্চ কমিশনের অনিবার্য পরীক্ষার কথা লিখতেই যা বিলম্ব। ইতর অবয়বধারী আমার

পড়শির সাথে শেষ দেখা

  পড়শির সাথে শেষ যেদিন দেখা হয়েছিল সেদিন আমি বসে গভীর মনোযোগে কাজ করছিলাম কখন যে তুমি এসে আমার সামনে দাঁড়িছো আমি খেয়ালই করিনি কত সময় সামনে ছিলে তাও জানিনা। সেদিন নীরবতা ভেঙ্গে তুমিই প্রথম জিজ্ঞেস করেছিলে- কেমন আছো ? আমি অবাক নয়নে তাকালাম তোমার দিকে তোমারতো আসার কথা ছিলোনা! কোন রকম বললাম- ভালো আছি,

পুরুষ সেজে ৪৩ বছর

  কথায় আছে, শক্ত দড়ি ছেড়ে তাড়াতড়ি। এই কথার উদ্ভব কোথা থেকে তা বলা মুশকিল। কিন্তু পৃথিবীর বিভিন্ন সামাজিক প্রেক্ষাপটগুলোতে এই কথার কার্যকারিতা আমরা দেখতে পাই হরহামেশাই। যেমন ধরা যাক মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার কিছু অঞ্চলের কথাই। ওই অঞ্চলগুলোতে নারীদের এখনও মধ্যযুগীয় কায়দায় দেখা হয়। প্রাচ্যের সতীদাহ প্রথা বন্ধ হয়ে গেলেও মধ্যপ্রাচ্যে এখনও নারীকে পাথর ছুড়ে

ভালোবাসি

  নিস্তব্ধ ‍মুহুর্তে, সকালের প্রাণবন্ত সবুজ হিমেল বাতাসে তুমি কি হাতে রাখবে হাত বলবে আমায়- ভালোবাসি? আজীবন ভালোবেসে রইবো দুজন এভাবে- পাশপাশি!   দুপুরে মাথার উপরে যখন থেকে উত্তপ্ত সূর্য তুমি কি ভেঙ্গে ‍সব অধৈর্য্য বলবে আমায়, তোমায় ভালোবাসি যতদিন বাঁচবো এভাবে, বাসবো ভালো তোমায় এরও চেয়ে বেশি!   দিন ঘুরিয়ে বেলা ফুরিয়ে পশ্চিমে হবে

বই:তসলিমার মামা বলছি।

  >>বই:তসলিমার মামা বলছি।     >>লেখক:ফেরদৌস আলম   লেখক নাসরিন এর মামা। মামাদের একান্নবর্তী পরিবারের বেড়ে উঠে ঘর জামাই রজব আলির সন্তানেরা। তসলিমার শৈশব ও কৈশোরকালের অনেক চমকপ্রদ ঘটনা লেখক অবলোকন করেছেন। মেয়েরা প্রথম যৌবনে নিকট আত্মীয়’র কাছ হতে শিকার হয় যৌন নিপীড়নের শিকার হয়। তসললিমা সেই সুত্র ব্যবহার করে তার ক্ষেত্রে যৌন নিপীড়নের

X
ঢ়
ক্ষ ড় ঢ় য় র-ফলা‌‌‌
    য-ফলা
  ি     রেফ
      ZWNJ
স্পেসবার নতুন লাইন যুক্ত করুন/হসন্ত ZWJ